সৌদি আরবে আজ রবিবার ইদুল ফিতির। আর আমাদের দেশে ইনশাল্লাহ সোমবার ঈদ উদযাপিত হবে।
আজ বাংলাদেশের কিছু এলাকায় ঈদ উদযাপিত হবে। তারা সৌদি আরবের সাথে মিল করে রোযা শুরু করে আবার তাদের সাথে মিল করে ঈদ উদযাপন করেন।
যদি ঐ সমস্থ গ্রামের লোকজন সৌদি আরবের সাথে মিল করে যদি রোযা শুরু করতে পারেন এবং ঈদ উদযাপন করতে পারেন তাহলে সেহেরি ও ইফতার তাদের সাথে মিল করে করেন না কেন? উনারা জানে তা সম্ভব না। কারন সৌদি আরবের সাথে মিল করে ইফতার করতে গেলে এখন বাংলাদেশ সময় রাত ৯ টার পরে ঈফতার করতে হবে। তাহলেতো আমাদের দেশে তখন মাগরিবের ওয়াক্ত শেষ হয়ে এশা ও তারাবিও শেষ হয়ে যাবে।
আবার সৌদি আরবের সাথে মিল করে নামাজ পড়তে গেলে ঐ সমস্থ গ্রামের লোকদের প্রতিদিন নামাজ কাজা করতে হবে, একমাত্র এশা ছাড়া সব ওয়াক্তের নামাজ কাজা হয়ে যাবে। শুধু এই আংশিক অনুসরণ করে লাভ কি? অনুসরণ করলে সম্পুর্নই করেন। নামাজ, সেহরি, ইফতার সহ।
অনেক স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী মনে করেন, যেইদিন ঊনারা ঈদ পালন করেন সেইদিন তাদের অনেক পাড়া প্রতিবেশী রোযা পালন করেন, এইজন্য তাদের বাড়িতে চাইলেও দাওয়াত খেতে যেতেও পারেন না। আর স্বাভাবিকভাবে অধিকাংশ মানুষ পরের দিন বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখতে পাওয়ার পরে ঈদ পালন করেন আর তখন সৌদি আরবের সাথে মিল করে ঈদ পালনকারীরা তাদের পাড়া প্রতিবেশীদের বাড়িতে দাওয়াত খেতে যেতে পারেন। অর্থাৎ উনাদের দুই দিন ঈদ উৎসব করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু তাদের এই পদ্ধতি যদি আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য না হয় তখন আখেরাতে তাদের কি অবস্থা হবে? কারন তারা সবসময় রমজানের রোযা একটা কম করেন, সেইসাথে তারাবীও। অথচ রমজানের একটা ফরয রোযা কেঊ যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দেয় সারাজীবন রোযা রাখলেও তার সমান হবে না।
যারা সৌদি আরবের সাথে মিল করে হাজার হাজার মাইল দূর থেকে রোযা শুরু আর বাদ দেন তাদের এই আমল শরিয়ত সম্মত হলে, ওয়াক্ত বা সময় বলে আর কিছু থাকে না আর প্রায় ১৫০০ বছর যাবৎ হাজার হাজার আলেম ও ফকিহগন আমাদেরকে এই ধরনের কাজ থেকে দূরে থাকতেও নিষেধ করতে না।
আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন।
ধন্যবাদ! ভালো থাকুন, আবার কথা হবে।
আল্লাহ হাফেজ।