গত ৫ ই সেপ্টেম্বর বেক্সিমকো গ্রুপের সব সম্পত্তি একত্র করে তা ব্যবস্থাপনায় ছয় মাসের জন্য একজন রিসিভার নিয়োগ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো গ্রুপের সব সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য “রিসিভার” নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তার কাজ হবে বেক্সিমকো গ্রুপের সব প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. রুহুল আমিনকে রিসিভার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সালমান এফ রহমানের নেওয়া অর্থ আদায় করতে ও বিদেশে পাঠানো অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেওয়া হয়।//
রিসিভার হলেন একজন স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ ব্যক্তি, যাকে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি, সাধারণ সম্পদ বা ব্যবসার কার্যক্রমের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই সমস্থ কাজ পরিচালনা করার জন্যই রিসিভার নিয়োগ
।
গত সেপ্টেম্বর মাসে বেক্সিমকো গ্রুপ অব কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনা এবং এর সব সম্পদ জব্দের (ক্রোক) জন্য রিসিভার নিয়োগ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে, গ্রুপটির মালিক সালমান এফ রহমানের বিদেশে পাচার করা অর্থ ফেরত দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে নির্দেশ দেন আদালত। এ আদেশ বাস্তবায়নের বিষয়ে ব্যাংকটিকে চার সপ্তাহের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়।
বেক্সিমকো গ্রুপের কোম্পানিগুলোর ব্যবস্থাপনায় রিসিভার নিয়োগের আদেশের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল বা আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন এর ওপর আজ ১২ ই নভেম্বর মঙ্গলবার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের ওই নির্দেশনার বিরুদ্ধে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পক্ষে লিভ টু আপিলটি করা হয়।//
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান। ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি এখন কারাবন্দী। পোশাক রপ্তানি ও ওষুধ উৎপাদনে শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হলো বেক্সিমকো।
এছাড়া বেক্সিমকো গ্রুপের জন্য সহকারী রিসিভার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন- ড. সুমন্ত সাহা, সিএফএ অতিরিক্ত পরিচালক; মো. নাহিম উদ্দিন, সিএফএ, যুগ্ম পরিচালক এবং মো. আতিউর রহমান, উপ-পরিচালক।
আজ এই পর্যন্তই!
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
১৩ টি ব্যাংক মাত্রাতিরিক্ত ঋণ বিতরন করায় গ্রাহকদের জমানো টাকা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। আজকের পত্রিকায় এই ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এই ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) সাবেক সভাপতি আনিস খান বলেন, সীমা অতিক্রম করে ঋণ বিতরণ করলে ব্যাংকের আমানত ঝুঁকিতে থাকবে। এডিআরের নীতিমালা অমান্য করলে ব্যাংকের কমপ্লায়েন্স লঙ্ঘিত হবে। আগ্রাসী ঋণ বিতরণ করলে তা আদায়ে সমস্যা দেখা দেবে।
এডিআর কি? অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিওর সংক্ষেপ হলো এডিআর। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালা অনুযায়ী যে কোন ব্যাংককে বেধে দেয়া ঋণ বিতরণের নির্ধারিত সীমা (এডিআর)। যেই সীমার চেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কোনভাবেই বেশি ঋণ বিতরণ করতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধিমালা অনুযায়ী, প্রচলিত ধারার ব্যাংক ১০০ টাকা আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮৭ টাকা এবং ইসলামি ধারার ব্যাংক ৯২ টাকা ঋণ দিতে পারে। একে ব্যাংকিং পরিভাষায় এডিআর বা ঋণ-আমানত অনুপাত সীমা বলা হয়।//
কোন ব্যাংক এডিআর সীমা লঙ্ঘন করলে হস্তক্ষেপের সুযোগ ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের। কিন্তু অদৃশ্য কারণে সেখানে শৈথিল্য দেখিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের শৈথিল্যই এর কারণ। এইভাবেই অনুমোদিত সীমার বেশি ঋণ বিতরণ করে ফেঁসে গেছে সরকারি-বেসরকারি খাতের ১৩ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ এর জুন পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য পর্যালোচনা থেকে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। জনগণের কাছ থেকে আমানত তুলে এসব ব্যাংক বেশি লাভের আশায়, যাকে-তাকে মাত্রাতিরিক্ত ঋণ দিয়েছে। এতে ভেঙে পড়েছে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের নির্ধারিত সীমা বা অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) শৃঙ্খলা।তবে শঙ্কা এবং ভয়ের খবর হচ্ছে, চেষ্টা করেও ওই ঋণ ব্যাংকের ভল্টে ফেরানো যাচ্ছে না।
এদিকে ঋণ আদায় না হওয়ায় বেশির ভাগ ব্যাংক এখন liquid money বা তারল্যসংকটের ভুগছে। এতে আমানতকারীর সঞ্চিত অর্থ ফেরত পাওয়ায় যেমন অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে, তেমনি ব্যাংকগুলোও বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। বাংলাদেশের অন্য ব্যাংকগুলো এই অবস্থা থেকে শিক্ষা নিতে পারে। //
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, প্রচলিত ধারার ন্যাশনাল ব্যাংক সীমার চেয়ে ১৭ টাকা বেশি ঋণ দিয়েছে। এতে ন্যাশনাল ব্যাংকের এডিআর সীমা দাঁড়িয়েছে ১০৩ দশমিক ৬৪ শতাংশে। এ বাস্তবতায় ব্যাংকটি এখন গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে হিমশিম খাচ্ছে। পদ্মা ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে ৯১ দশমিক ৪১ শতাংশ। সীমার বেশি ঋণ দিলেও ব্যাংকটি এখন তা আদায় করতে পারছে না। আবার গ্রাহকের টাকাও ফেরত দিতে পারছে না। এভাবে যে সমস্ত ব্যাংক ঋণ দিয়ে বিপদে পড়েছে সেই ব্যাংকগুলো হলো
সরকারি ব্যাংক হিসেবে আছে ১৩) জনতা ব্যাংক। বাকীগুলো সব বেসরকারি ব্যাংক
১) এবি ব্যাংকের ২) বেসিক ব্যাংক ৩) ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান ৪) ইউনিয়ন ব্যাংক ৫) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ৬) গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ৭) ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ৮) সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ৯) এক্সিম ব্যাংক ১০) বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ১১) ন্যাশনাল ব্যাংক ১২) পদ্মা ব্যাংক
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র হুসনে আরা শিখা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত এডিআর তদারক করে। সীমা লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ শাস্তি দেওয়া হয়।
কিন্তু ১৩ টি ব্যাংকের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক বিগত সরকারের সময়ে উদাসীন থেকেছে। একজন বিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন বাংলাদেশ যাতে আস্তে আস্তে দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিনত হয় এবং অর্থনৈতিক ভাবে গ্রাহক ও রাষ্ট্র নিস্ব হয় সেজন্যই এইসব করা হয়েছে। আমরা আশা করব প্রফেসরের ইউনুসের সরকার এই সমস্থ অসাধু ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবে যাতে ভবিষ্যতে আর কোন ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে না যায়।
আজ এই পর্যন্তই!
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী দুই ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে প্রত্যর্পণের জন্য দেশটির সরকারকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অর্থ ও মানবপাচারের অভিযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশের ইন্টারপোল শাখার পুলিশ পরিদর্শক আশিকুর রহমান মালয়েশিয়ায় পাঠানো চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে টেলিফোনে ব্লুমবার্গকে নিশ্চিত করেছেন । বাংলাদেশ সরকারের অপর একজন সিনিয়র কর্মকর্তাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে গণমাধ্যমটি।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দুর্নীতি ও মানব পাচারের অভিযোগ পুরোনো। বিগত সরকারের সময়ে এ নিয়ে তুমুল সমালোচনা ও প্রতিবাদ সত্ত্বেও তেমন কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। উপরন্তু এসব সিন্ডিকেট ও অনিয়মের সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজন জড়িত ছিল বলে প্রমাণ মেলে। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর পুলিশ অভিবাসী শ্রমিকদের পাঠানোর আড়ালে অর্থ পাচার, সিন্ডিকেট করে অভিবাসন ব্যয় বাড়ানো এবং মানব পাচারের অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। //
গত ২৪ অক্টোবর বাংলাদেশ পুলিশের ইন্টারপোল শাখা থেকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন আমিনুল ইসলাম ও রুহুল আমিন। তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সাথে জড়িত থেকে বিভিন্ন অপকর্মে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন, তারা দুজন ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে জোরপূর্বক অর্থ আদায় ও তাদের শারীরিক-মানসিক নির্যাতনে সাথে জড়িত।
চিঠিটির একটি অনুলিপি যাচাই করেছে ব্লুমবার্গ। তবে অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চিঠি আদান-প্রদানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করা আমিনুল, মালয়েশিয়ায় আমিন নামেই পরিচিত, প্রায় এক দশকের বেশি সময় আগে মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব পান তিনি।
আমিনুলের প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি বেস্টিনেটের সরবরাহকৃত একটি সফটওয়্যার ব্যবহার না করতে মালয়েশিয়া সরকারকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। ২০১৮ সাল থেকে এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশ থেকে আসা— হাজার হাজার অভিবাসী শ্রমিকদের অভিবাসন প্রক্রিয়াকরণ ও তাঁদের মনিটর করেছেন মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা।//
এদিকে আমিনের প্রতিষ্ঠান বেস্টিনেট এর পক্ষ থেকে বলা হয়, তাদের সফটওয়্যারের ব্যবহার বন্ধ করতে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষকে বাংলাদেশ পুলিশের অনুরোধ করার বিষয়ে- তারা জানে না।
আরেক অভিযুক্ত ব্যবসায়ী রুহুলের আমিনের মন্তব্য কি জানতে তার প্রতিষ্ঠান ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের সাথে ফোনে যোগাযোগ করে ব্লুমবার্গ। ঢাকা-ভিত্তিক এই রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী হচ্ছেন রুহুল আমিন । ক্যাথারসিসের একজন প্রতিনিধি ইমেইলে ব্লুমবার্গকে জানান, রুহুল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, তিনি সবসময় ‘আইন মেনে, বৈধভাবে ও নৈতিকতার সাথে’ ব্যবসা পরিচালনা করেছেন।
এব্যাপারে ব্লুমবার্গ মালয়েশিয়ার পুলিশ, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথেও যোগাযোগ করে, তবে কর্তৃপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি।
আবার কথা হবে নতুন ভিডিওতে
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
Wednesday, November 6, 2024
আজ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট। আমেরিকনরা ৪ বছরের জন্য একজন নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন। প্রেসিডেন্ট যেই হোক ফিলিস্তিনের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না। আর আমার বিশ্বাস আমেরিকনরা একজন পুরষের পরিবর্তে
মহিলাকে নির্বাচিত করবে না, অর্থাৎ ট্রাম্পেরই বিজয়ী হবার সম্ভাবনা বেশি। যাহোক আমরা আমেরিকার নির্বাচন পদ্ধতি এবং ইলেক্ট্রোরাল ভোট সম্পর্কে আলোচনা করি।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে ঘিরে অতীতের মতো এবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে। রিপাবলিকান প্রার্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হয়ে এবার প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস।
মার্কিন নাগরিকরা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে একটি নির্বাচকমণ্ডলীকে নির্বাচিত করে। ইলেক্টোরাল কলেজ' হচ্ছে কর্মকর্তাদের একটি প্যানেল, যাদের 'ইলেকটরস' বলা হয়।
ইলেক্টোরাল কলেজ হলো যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য ব্যবহৃত রাষ্ট্র ও কেন্দ্রীয় আইনের একটি জটিল ব্যবস্থা, যা দেশটির সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত। ‘কলেজ’ শব্দটির অর্থ এখানে সেই ব্যক্তিদের বোঝানো হয়, যারা একটি অঙ্গরাজ্যের ভোট দেওয়ার অধিকারী। এরা এক কথায় নির্বাচক মণ্ডলী। প্রতি চার বছর পর পর এটি গঠন করা হয় এবং এরাই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট বাছাই করেন।এই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট এর পাশাপাশি আইনসভার সদস্যদেরকেও বেছে নিবেন মার্কিন নাগরিকরা। //
আমেরিকার নির্বাচনে ইলেকটোরাল ভোটসংখ্যা ৫৩৮। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীকে ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট পেতে হয়। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে আছে সর্বোচ্চ ৫৪টি ইলেকটোরাল ভোট। আবার আলাস্কা, সাউথ ডাকোটা, ভারমন্টের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিটিতে রয়েছে ৩টি করে ইলেকটোরাল ভোট।সাধারণত অঙ্গরাজ্যগুলো তাদের হাতে থাকা ইলেক্টোরাল ভোট সেই প্রার্থীকেই দেয়, যিনি ওই অঙ্গরাজ্যের ভোটারদের সরাসরি ভোটে জয়ী হয়েছেন।
যে বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়, সেই বছরের নভেম্বর মাসের প্রথম মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়। সেই হিসেবে আজ আমেরিকায় ভোট গ্রহন চলছে।
সাধারণত নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই জয়লাভ করেন। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ক্ষেত্রে একজন প্রার্থী বেশি সংখ্যক ভোটারের ভোট পাওয়ার পরও বিজয়ী নাও হতে পারেন।যেমন ছিলেন আল গোর তিনি বেশি ভোট পেয়েও নির্বাচিত হতে পারেননি।
এই কারণ দেশটিতে ভোটাররা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেন না। সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হয় ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ নামে বিশেষ একটি ব্যবস্থায়। //
ধরুন টেক্সাসে একজন প্রার্থী ভোটারদের সরাসরি ভোটের ৫১% পেয়েছেন, তাকে ওই অঙ্গরাজ্যের হাতে থাকা ৪০টি ইলেক্টোরাল ভোটের সবগুলিই সেই প্রার্থী পেয়ে যাবেন।
একটি অঙ্গরাজ্যে জয়ের ব্যবধান যদি বিরাট হয়ও, তাহলেও বিজয়ীপ্রার্থী ওই নির্দিষ্ট সংখ্যক ইলেক্টোরাল ভোটই পাবেন বেশি পাবেন না।
অর্থ্যাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের একটিতে জয়ী হওয়ার অর্থ হলো একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সেই অঙ্গরাজ্যের সবকটি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পেয়ে যাবেন। দেশটিতে ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
কোন অঙ্গরাজ্যে কত ইলেকটোরাল ভোট থাকবে, তা নির্ধারিত হয় সেখানে কতটি কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট রয়েছে। প্রতিটি কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের জন্য একটি করে ভোট এবং দুজন সিনেটরের জন্য দুটি ভোট বরাদ্দ থাকে। ক্যালিফোর্নিয়ায় ৫২টি কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট রয়েছে। অন্য অঙ্গরাজ্যগুলোর মতোই সেখানেও রয়েছে ২টি সিনেট আসন। ফলে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যটির মোট ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা ৫৪টি।
ইলেকটোরাল কলেজ পদ্ধতি অনুযায়ী যেসব রাজ্যে জনসংখ্যা বেশি, সেসব রাজ্যে ইলেকটোরাল ভোটও বেশি।
ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, নিউইয়র্ক, ইলিনয়, পেনসিলভানিয়া—এই ছয় অঙ্গরাজ্যের হাতেই রয়েছে ১৯১টি ইলেকটোরাল কলেজ। উইনার "টেক ইট অল’ নীতির কারণে এই ছয় অঙ্গরাজ্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অর্থাৎ যিনি ভবিষ্যতের আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হবেন তিনি এই ছয় অঙ্গরাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট পেতে আপ্রাণ চেষ্টা করেন। //
মাইন ও নেব্রাসকা- এই দু’টি অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি ৪৮টি অঙ্গরাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিয়ে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ‘ইলেক্টোরাল কলেজ’ ভোট পাবেন, তিনিই হবেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আর বিজয়ী প্রার্থীর রানিং মেট হবেন দেশটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট।
সাধারণ ভোটারদের ভোটে পিছিয়ে থেকেও ইলেকটোরাল ভোটে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত পাঁচজন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন, যার মধ্যে রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জর্জ ডব্লিউ বুশও রয়েছেন।
২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী জর্জ বুশ ও ডেমোক্র্যাট অ্যাল গোরের মধ্যে এত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল যে তা শেষ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছিল ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের ভোট গণনায়। দুই প্রার্থীর মধ্যে মাত্র কয়েকশ' ভোটের ব্যবধান ছিল।
এ নিয়ে শুরু হয় কয়েক সপ্তাহব্যাপী আইনি যুদ্ধ, যার পরিণামে ভোট পুনর্গণনা করতে হয়। শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা সুপ্রিম কোর্টে গড়ায়। অবশেষে বুশকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়, ফলে তিনি ফ্লোরিডা রাজ্যের ২৫টি ইলেকটোরাল ভোটের সবগুলো পেয়ে যান। তাতে তার মোট ইলেকটোরাল ভোট দাঁড়ায় ২৭১ টি এবং তার বিজয় নিশ্চিত হয়। আল গোর জনগণের ভোট বেশি পেলেও পরাজয় স্বীকার করে নেন। //
আমেরিকায় বেশিরভাগ অঙ্গরাজ্যই আমেরিকান ভোটাররা প্রতিটা নির্বাচনে ধারাবাহিকভাবে একই দলকে ভোট দিয়ে থাকেন। আমেরিকান নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গ বলে পরিচিত এই অঙ্গরাজ্যগুলোকে বলা হয় 'রেড স্টেট' বা 'লাল রাজ্য' আর ডেমোক্র্যাটদের প্রাধান্য পাওয়া স্টেটগুলোকে বলা হয় 'ব্লু স্টেট' বা 'নীল রাজ্য'।
ফলে এসব রাজ্য নিয়ে প্রসিডেন্ট প্রার্থীদের খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না বা মনোযোগ দিতে হয় না। কিন্তু হাতে গোণা কিছু অঙ্গরাজ্য আছে যে রাজ্যগুলোর ভোট, প্রার্থীদের কারণে যে কোন শিবিরে যেতে পারে।
ফলে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীরা নির্দিষ্ট কিছু ‘সুইং স্টেট’এর দিকে নজর দেন যেখানে ভোট কোন পার্টির পক্ষে যাবে, তা নির্দিষ্ট করে বোঝা যায় না। এগুলোই হল আমেরিকান নির্বাচনের ব্যাটলগ্রাউন্ড বা নির্বাচনি রণক্ষেত্র। এগুলোকেই অনেকে বলে থাকে 'বেগুনি রাজ্য'।২০১৬ সালের নির্বাচনে এভাবেই ‘ব্যাটল-গ্রাউন্ড স্টেট’ হয়ে উঠেছিল
অ্যারিজোনা, জর্জিয়া, মিশিগান, নেভাডা, পেনসিলভেনিয়া এবং উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যগুলি ।//
ইলেক্টোরাল ভোটে যদি কোনো প্রার্থী এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পান বা টাই হলে তখন কি হবে? সেক্ষেত্রে মার্কিন আইন সভার নিম্ন-কক্ষ ‘হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভস’ ভোট দিয়ে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করবেন।
এক্ষেত্রে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যরা শীর্ষ তিন প্রার্থীর ভেতর থেকে একজনকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে বাছাই করে থাকেন। বাকি দুইজন প্রার্থীর ভেতর থেকে একজনকে ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসাবে বেছে নেয় দেশটির সিনেট।যদিও এরকম ঘটনা মার্কিন ইতিহাসে একবারই ঘটেছে।
আগামী বছরের ৬ জানুয়ারি ইলেকটোরাল ভোট গণনার পর ২০২৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হবে।
আজ এই পর্যন্তই!
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
পুলিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত প্রধান আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। দুই লাখেরও বেশি কর্মী নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পুলিশ প্রশাসনে সংস্কারের ক্রমবর্ধমান দাবির মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাজনৈতিক প্রভাব এড়িয়ে পুলিশ সংস্কারকে জাতীয় এজেন্ডা করে আইন প্রয়োগের উন্নতির আহ্বান একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে পরিণত হয়েছে।
কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশ পুলিশের মৌলিক কার্যক্রম মূলত অপরিবর্তিত থাকায় অনেক নাগরিক ও সুশীল সমাজের গোষ্ঠী আরও জনকেন্দ্রিক এবং জবাবদিহিমূলক পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলার জন্য চাপ দিচ্ছে।//
এর আগে অক্টোবর মাসে প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার এক মাস আগে একই ব্যাচের ২৫২ জন শিক্ষানবিশ এসআইকে অব্যাহতি দেওয়া হয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে।
শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে রাজশাহীর সারদায় প্রশিক্ষণরত আরও ৫৮ জন এসআইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে ৪০তম এসআই ব্যাচে মোট ৩১০ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।
৪০তম ব্যাচের আউটসাইডার ক্যাডেট হিসেবে মোট ৮০৪ জন প্রশিক্ষণরত ছিলেন। ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর ক্যাডেট এসআই সদস্যদের ট্রেনিং শুরু হয়েছিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ৪ নভেম্বর।//
একাডেমি সূত্র জানায়, ২১ অক্টোবর ওই ব্যাচের ১০ জন এসআইকে দ্বিতীয় দফায় শোকজ করা হয়। এরপর ২৪ অক্টোবর তৃতীয় দফায় আরও ৪৯ জনকে শোকজ করা হয়। তিনদিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।
গত ২২ অক্টোবর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির তৃতীয় বৈঠক হয়। সেখানে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, প্রশিক্ষণরত ২৫২ জন উপপরিদর্শককে (এসআই) শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, রাজনৈতিক কারণে নয়।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, ‘কাকে কোন ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, সেটা একাডেমি ভালো বলতে পারবে। এই সংখ্যাটা পূরণের জন্য আমরা ইতিমধ্যে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমরা এ নিয়োগ সম্পন্ন করব।’
আজ এই পর্যন্তই!
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেনার ঝামেলা এড়াতে নিয়মিত চলাচল করা যাত্রীরা এমআরটি পাস কিনে থাকেন। এ কার্ড একবার কিনে নিতে পারলে লাইনে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করে টিকিট সংগ্রহ করার ঝামেলা এড়ানো যায়। আবার মূল ভাড়া থেকে ১০ শতাংশ ছাড় পাওয়া যায়
গত শুক্রবার বা ১ নভেম্বর এমআরটি পাসের নতুন রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয় ।তখন বলা হয়েছিল পরিষেবা চালু হতে এক সপ্তাহের মতো সময় লাগতে পারে।//
গতদিন রোববার বা ৩ নভেম্বর এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে মেট্রোরেলের পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে মেট্রোরেলের এমআরটি কার্ড রি-ইস্যু রেজিস্ট্রেশন ও রি-ইস্যু পরিষেবা পুনরায় চালু হয়েছে। আপনাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।’
এদিকে মেট্রোরেল ভ্রমণে বর্তমানে ৩ টি বিশেষ ধরনের কার্ড ব্যবহার করা যায়। এসব কার্ডের মধ্যে একক যাত্রার কার্ড ও ম্যাস র্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) পাস কার্ড মেট্রোরেলের নিজস্ব। এছাড়া ডিটিসিএ র্যাপিড পাস কার্ড ব্যবহার করেও মেট্রোরেলে ভ্রমণ করা যায়।//
বর্তমানে মেট্রোরেল শনিবার-বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে রাত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলাচল করছে। আর শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টা থেকে রাত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলাচল করে।
এদিকে সাময়িক বিভ্রাট বিষয়ে মেট্রোরেলের লাইন-৬ এর একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, এমআরটি পাস আমাদের নিজস্ব। কিন্তু এটি ইস্যু ও রি-ইস্যুর কাজটি করা হয় ডিটিসিএ’র সার্ভারে। অনেক সময় সার্ভার ত্রুটির জন্য আমরা সেবা পাই না। তখন বাধ্য হয়ে আমাদের কার্ড ইস্যু ও রি-ইস্যু বন্ধ থাকে। সার্ভারে কাজ চলছে, তাই সাময়িক সমস্যা হয়েছিল।
আজ এই পর্যন্তই!
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
১৯৪১ সালের ২৬ অগাস্ট জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত হয়। লাহোরের ইসলামিয়া পার্কে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠা করেন ভারতের ধর্মীয় রাজনীতিক আবুল আলা মওদুদী । তখন দলটির নাম ছিল জামায়াতে ইসলামী হিন্দ বা জামায়াতে ইসলামী ভারত। পরের বছর জামায়াতের সদর দপ্তর লাহোর থেকে ভারতের পাঠানকোটে নেয়া হয়।
১৯৪৫ সালে জামায়াতে ইসলামী হিন্দ এর প্রথম কনভেনশন হয় অবিভক্ত ভারতে এবং এর দু'বছর পর দেশভাগের আগ পর্যন্ত এই সংগঠনটি ১৯৪৭ সালে ভারতের মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলো।
পাকিস্তান সৃষ্টির পর দলটির প্রতিষ্ঠাতা মওদুদী ভারত থেকে পাকিস্তানে চলে যান। //
বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে ১৯৫৮ সালে অন্য সব দলের সাথে পাকিস্তানে জামায়াতের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করেন তখনকার সেনা শাসক আইয়ুব খান।
মুসলিম পারিবারিক আইন ও শিক্ষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয় দলটি।
বিশেষ করে মুসলিম পারিবারিক আইন নিয়ে তুমুল সাম্প্রদায়িক অস্থিতিশীলতাও তৈরি হয়। অধ্যাদেশের বিরোধিতার কারণে ১৯৬৪ সালের ৪ জানুয়ারি জামায়াতকে আবার নিষিদ্ধ করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার।
মওদুদী ও গোলাম আজমসহ অনেককে আটক করা হয়। একই বছরের অক্টোবরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ১৫১টি আসনে প্রার্থী দিয়ে মাত্র চারটি আসন পায় দলটি।
মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে ১৯৭১ সালের মুজিবনগর সরকার জামায়াতসহ ছয়টি দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ১৯৭১ সালের পর স্বাধীন বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকায় জামায়াতও এর আওতায় পড়ে।//
বাংলাদেশের বিরোধিতা ও গণহত্যায় সহায়তার জন্য ১৯৭৩ সালে যে ৩৮ জনের নাগরিকত্ব বাংলাদেশ সরকার বাতিল করেছিলো গোলাম আজমও ছিলেন তার একজন।
বঙ্গবন্ধু সপরিবারে নিহত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ববহুদলীয় গনতন্ত্র প্রবর্তন করেন আবার জামায়াতকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ করে দেন। জিয়ার সরকার রাজনৈতিক দল সংক্রান্ত সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনায়, ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশে জামায়াত ইসলামীর আবার পুনরুজ্জীবন ঘটে। ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগ বা আইডিএল থেকে নেতাকর্মীরা জামায়াতে ফেরেন। সেই সুযোগে গোলাম আযম ১৯৭৯ সালে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়ে দেশে ফিরে দলের আমির হন। কিন্তু নাগরিকত্ব না থাকায় তা গোপন রাখা হয়। ভারপ্রাপ্ত আমির হন আব্বাস আলী খান। //
পরে ১৯৯২ সালেই জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন গোলাম আযম। ১৯৯৪ সালে উচ্চ আদালত তাঁকে নাগরিকত্ব দেন।
২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় গেলে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রিত্ব পান। স্বাধীন বাংলাদেশে এটাই জামায়াতের প্রথম সরকারে অংশগ্রহণ।
২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পাওয়ার জন্য ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ’ নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ করা হয় এবং গঠনতন্ত্রে ব্যাপক সংস্কার করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে দুটি আসন পায় জামায়াত। এরপর তারা আর কোনো ভোটে অংশ নিতে পারেনি।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৩১শে জুলাই জামায়াতে ইসলামীকে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
আজ এই পর্যন্তই!
ভিডিওটিতে লাইক দিন,share করুন এবং এইরকম ভিডিও আরো পেতে চাইলে চ্যানেলটি subscribe করে আমাদের সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।